সময়ের স্রোতে নবজাগরণ: পোড় খাওয়া এই বিএনপি নেতার নতুন পথে যাত্রা
- April 13,2025
- 503 views
মলয়া ডেস্ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সন্তান রাজিব আহমেদ চৌধুরী পাপ্পু যিনি দীর্ঘ দিন ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে হামলা- মামলা, জেল- জুলুম নির্যাতনের পাশাপাশি বিএনপির একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ এবং জাতীয়ভাবে পরিচিত মুখ, তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটের বিএনপির রাজনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য সম্প্রতি তিনি এক ভিন্ন পথে হাটছেন। রাজপথের মিছিলে স্লোগান মুখরিত করা এই নেতাকে আজকাল দেখা যাচ্ছে অন্য রূপে – কখনো তিনি ব্যস্ত গ্রামীন অর্থনীতির বিকাশে, আবার কখনো তরুণ প্রজন্মের সাথে আলোচনায় মগ্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নিয়ে। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেট নিয়ে। তার এই কার্যক্রমের ফলে ইতিমধ্যে প্রত্যান্ত গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে, তাই রাজনীতিবীদদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও মনে করে ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে সুখী সমৃদ্ধি দেশে পরিণত হবে। ৫ ই আগস্টের পর
অনেকের মনের প্রশ্নের উত্তর তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে নতুন এক দিগন্তের আভাস স্পষ্ট। তিনি এখন তৃণমূল স্তরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলছেন, এবং তাদের সমস্যা সমাধানে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন।
সম্প্রতি রাজিব আহমেদ চৌধুরী পাপ্পু সাহেবকে দেখা যাচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামে যেখানে তিনি স্থানীয় কৃষকদের সাথেও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছেন, এবং বিভিন্ন ধর্ম ও জাতি গোষ্ঠীর পাশাপাশি জেলে, কামার- কুমার তাঁতি তাদের সাথেও আলোচনা করছেন। শুধু তাই নয়, তিনি বিভিন্ন প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন এবং সকল পর্যায়ের কারিগরদের উৎসাহিত করেন তাদের সৃষ্টিশীলতাকে আরও প্রসারিত করতে। উপজেলার দলীয় কোন নেতাকর্মী অসুস্থ হলে শত ব্যস্ততার মাঝেও অসুস্থ নেতকর্মীর পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়াচ্ছেন।
রাজনৈতিক মহলে এই পরিবর্তন নিয়ে ভাল গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কেউ বলছেন এটা নিছকই তার ব্যক্তিগত আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ, আবার কেউ মনে করছেন এর পেছনে বৃহত্তর কোনো রাজনৈতিক কৌশল থাকতে পারে। তবে রাজিব আহমেদ চৌধুরী পাপ্পু সাহেবের ঘনিষ্ঠ মহল বলছে, মানুষের জন্য কাজ করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই তার এই নতুন উদ্যোগ মাঠে কাজ করা এবং সামনে জনপ্রতিনিধি হয়ে যেন ব্যাপক হারে জনসেবায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন।
তবে রাজনীতির মাঠে একটি মহল মনে করে সময়ই বলবে পাপ্পু সাহেবের এই নতুন যাত্রা তাকে কোথায় নিয়ে যায়? তবে এটা স্পষ্ট যে, রাজনীতির গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে তিনি এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছেন – যেখানে জনসেবা শুধুই মহানুভবতার এক মূর্ত পথিক হিসেবে আবির্ভূত হবে। সর্বশেষ মার্চ ফর গাজার প্রকম্পিত রাজপথের মহাপ্লাবনে তাকে প্রথম সারিতে অবস্থান করতে দেখা যায়।
