নবীনগরে ইউপি নির্বাচনের ভয়কে জয় করে নিয়েছেন প্রার্থী ও ভোটাররা, শঙ্কা কাটিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোট সম্পন্ন

মলয়া ডেস্ক-

কোনো রকম সহিংসতা ছাড়াই ৬ষ্ঠ ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সর্বমোট ৬৯টি ভোট কেন্দ্র এবং ৪২১টি বুথের মাধ্যমে ভোট প্রদান করেছেন ভোটাররা। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ছিল ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়। তবে পুরুষ ভোটরের চেয়ে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

এই ৭টি ইউপি নির্বাচনে ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন কি না, এই নিয়ে ছিল একটি অজানা আতঙ্ক। তাছাড়া প্রার্থীদের মধ্যেও ছিল শঙ্কা। হাওর বেষ্টিত ও দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সংঘাতের আশঙ্কাও ছিল। ফলে ভোটার ও প্রার্থীদের শঙ্কা দূরীকরণে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরদার টহল এর কারণে কোনো রকম সহিংসতা ছাড়াই শেষ হলো নবীনগরের অবশিষ্ট ৭টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন।

সরেজমিনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দেখা গেছে  ইভিএমে ভোট দিতে আসা ভোটাদের খানিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে বয়ঃবৃদ্ধদের বেলায় আঙ্গুলের ছাপ নিতে একাধিকবার চেষ্টা করতে হয়েছে প্রিজাইডিং ও পোলিং এজেন্টদের। প্রিজাইডিং অফিসারগণ বলছেন বয়স বেশি হওয়াতে তাদের হাতের ছাপ মিলাতে সমস্যা হচ্ছে। ইভিএমের মাধ্যমে কিভাবে ভোট দিবেন অনেক ভোটাররা এসব নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন। 

উপজেলার সাতটি ইউপির সবকটিতেই ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও নিরপে ভোট হয়েছে বলে জানান সাধারণ ভোটারগণ।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল জানান, নবীনগরে ইউপি নির্বাচন ইতিহাসে নজির স্থাপন করেছে। নবীনগরে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিরিবিচ্ছিন্ন ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে যা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আমি বলে আসছি নির্বাচন হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ। আমি কথা দিয়ে কথা রেখেছি। সুন্দরভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়াই জনগণ ও প্রশাসনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সাংসদ।