নবীনগরে আওয়ামী লীগ নেতার ভাইয়ের উপর বর্বরোচিত হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর (পশ্চিম) ইউনিযন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসনের বড়ভাই কাউছার আলমের (৪০) উপর অতর্কিত হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা৷ এতে কাউছার আলম সহ আরো ২  জন গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে৷ 

আজ বৃহস্পতিবার (২৬/০৮) সকাল সাড়ে ৮ টায় বিচার সালিসে যাওয়ার পথে আলমনগর কবস্থানের পাশে একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে৷ এরা হলো আলমনগরের বড়বাড়ির কবির মিয়ার ছেলে মো. সুজন (২২), আবু মিয়ার ছেলে রুবেল (২০),  বচ্চু মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া (১৮), আমানউল্লাহর ছেলে রনি(২০) সহ আরও ২০/২৫ জন৷ 

সরজমিনে জানা যায় গত  মঙ্গলবার পৌর এলাকার আলমনগর গ্রামের অটোরিকশা চালক রুবেলের অটোতে নবীনগর থেকে একজন মেয়ে যাত্রী নবীপুর বাজারে এসে ভাড়া দিতে চাইলে, অটোচালক রুবেল ভাড়া টাকার বদলে মেয়েটির মোবাইল নাম্বার চায়৷ মেয়েটি মোবাইল নাম্বার দিতে অস্বীকার করায়,  অটোতে থাকা আলমনগরের  রমজান মিয়া, রাকিব মিয়া মেয়েটিকে ইভটিজিং করার চেষ্টা করলে পাশে থাকা নবীপুর গ্রামের কয়েকজন ছেলে বাঁধা দিতে গেলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য উভয় গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিচার শালিস ডাকায় আজ বিচার সালিসে যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে৷  

 

আলমনগর গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, আমি নূর আলম, আব্দুল্লাহ আল রুমান এবং  কবির মিয়া নবীপুরের আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারকে বিয়য়টি সমাধানের জন্য আজ সকালে আলমনগর আসতে বলেছিলাম৷ তিনি তার ভাই কাউছার, সৈয়দ, অহিদ এবং নূরুল ইসলামকে পাঠায়৷  কিন্তু তারা আসার পথিমধ্যে কিছু ছেলে এ দুর্ঘটনা ঘটায়৷ 

 

নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ভাই কাউছার সহ আরো ২ জনকে রড দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে৷ আমার ভাইয়ের বাম চোখ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে৷  তার চোখটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে৷ আমার ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে আহত করা হয়েছে৷ 

 

এবিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর রশিদ জানান, আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি৷ তবে আহতের ভাই আমার সাথে মুঠোফোনে কথা বলেছে৷ বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে৷ অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷