নবীনগরে বিটঘর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করলেন এসিল্যান্ড
- August 22,2021
- 366 views
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিট ঘর ইউনিয়নের মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা ঘরবুঝে পাবার পর তারা বসবাস শুরু করেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকজন সুবিধাভোগী তারা নিজেদের উপার্জিত অর্থ দিয়ে সরকারের ব্যয়ে নির্মিত ঘর এখন নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী সুন্দর পরিপাটি গুছগাছ করে তাদের মনের মতো রং মিশিয়ে সুন্দর ও আধুনিক উপায় সংযোজন করে বসবাস করছেন। সরকারের উক্ত প্রকল্পের ঘর গুলো তারা যেভাবে সুন্দর পরিপাটি করে গুছিয়েছেন সকলের জন্য এটা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। সরকারি ব্যয় নির্মিত সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ঘরগুলো যদি সকল সুবিধাভোগীরা তাদের ঘরবুঝে পাবার পর এরকম ভাবে নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের চাহিদা মোতাবেক দৃষ্টিনন্দন আধুনিক বসবাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। উক্ত ঘর পরিদর্শন করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোশারফ হুসাইন এসময় উপস্থিত ছিলেন মডেল প্রেসক্লাবের অনুসন্ধানী টিম। নবীনগর থানার এসআই মিশন বিশ্বাস সহ সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি বলেন এবং তিনি সকলের কথা শুনেন এবং সকলকে সরকারি সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। উক্ত প্রকল্প সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিকের এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আশ্রয়ন প্রকল্প মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এখানে ৩২ জন ভূমিহীন পরিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে বিনামূল্যে সরকারি জমি সহ নিজের ঘর পেয়েছে দেয়া হয়েছে বিদ্যুৎ গভীর নলকূপ সহ আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা এপ্রথম তারা নিজের ঘরে ঈদ পালন করেছে এ ৩২ জনের মধ্যে ২২ জন মুসলিম ১০ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী তারা একসাথে মিলেমিশে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ২২ জনের জন্য একটি গরু বাকি ১০ জনের জন্য প্রত্যেককে দুটো করে মুরগি সবার জন্য ১৫ দিনের বাজার নতুন কাপড় সহ আরো কিছু উপহার প্রদান করা হয়েছে পূজার সময় ও আমরা এভাবে পাশে থাকব সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধুর সুখী-সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা বিনির্মাণে এই মানুষগুলোকে উন্নয়নের মূলস্রোতে নেয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে এবং যারা ঘর বুঝে পেয়েছে তারা তাদের সাধ্যমতো ঘরের উন্নয়ন ইচ্ছে অনুযায়ী করছে আমরা প্রশাসন ও সবসময় তাদের পাশে থাকব। উল্লেখ্য যে এভাবে যদি সকল ঘরগুলো ভুক্তভোগীরা তাদের সাধ্য অনুযায়ী বসবাসের সাথে সাথে চলমান কাজের ধারা অব্যাহত রাখেন তাহলে প্রত্যেকটির ঘড়ই আধুনিক বসবাসের উপযোগী হবে।
